ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে জেনে নিন

কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব বিস্তারিত জানুন

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে এই প্রশ্নটা সকল বাসায় খুব সাধারন একটা সমস্যা।আমাদের বাসায় মা-বোনেরা রান্না করার সময় এই বিরক্তিকর সমস্যায় প্রতিনিয়ত পড়েই থাকে এবং এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য নানারকম পন্থা অবলম্বন করে।

ফ্রাইপ্যানের-তেল-ধোঁয়ার-সমস্যায়-কোন-ব্র্যান্ড-কাজে-দিবে

ফ্রাই পেনের এই তেল ধোয়ার সমস্যা নির্ভর করে তেলটা কোন প্রকৃতির কারণ ভালো প্রকৃতির তেল এ জাতীয় সমস্যা কখনই সৃষ্টি করবে না।তাছাড়াও ফ্রাইপ্যান যদি বেশি গরম হয়ে যায় তখন তেল অনেক উত্তপ্ত হয় ও ধোয়া ছাড়তে থাকে।

পেজ সূচিপত্রঃফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে

আমরা কমবেশি সবাই রান্নাঘরে খাবার তৈরি করার জন্য সয়াবিন তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করি। কিন্তু এই তেল গুলো সাধারণত নিম্নচাপীয় হয় যার কারণে উত্তপ্ত ফ্রাইপ্যানে সহজেই ধোয়া তৈরি করে। তাছাড়া এসব তেল অনেক সময় খোলা বাজারে পাওয়া যায় বা যেসব ব্র্যান্ডের হয়ে থাকে তাতে কেমিক্যাল মেশানোর সম্ভাবনা থাকতে পারে।এইসব তেলে ফ্যাটের পরিমাণ একটু বেশি থাকে।দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে গেলেও এই তেলের জন্য নিজের অজান্তেই ফ্যাট চলে যাচ্ছে শরীরে।

বিশেষজ্ঞদের মতে রান্নাতে যদি রাইস ব্র্যান তেল, জলপাই তেল,সূর্যমুখী তেল,বাদাম তেল ব্যবহার করা যায় তাহলে সেই খাবারটি স্বাস্থ্যকর ভাবে তৈরি হয়।তাছাড়া এই তেল গুলো একটু উচ্চচাপীয় যার কারণে উত্তপ্ত হয়েও যায় তাও এই তেল গুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে ধোঁয়া ছড়ায় না।এই তেল রাইস ব্র্যান তেল উচ্চতাপে কম ধোয়া তৈরি করে।তাছাড়া কোন ডিপ ফ্রাই করার জন্য সূর্যমুখী তেল বেশ কার্যকর কারণ একটি উচ্চতাপ সহ্য করতে পারে এবং ধোয়া সৃষ্টি করে তেলের মান খারাপ করে না।

এছাড়াও স্বাস্থ্যের জন্য এসব তেল অনেক উপকারী কারণ এই তেল আমাদের শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।হৃদরোগ থেকে মুক্তি পেতে গেলেও কুকিং ওয়েল হতে হবে স্বাস্থ্যকর।অস্বাস্থ্যকর তেল দিয়ে রান্না করলে শরীরে চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যায় যা একসময় হার্ট এটাকের কারণ হতে পারে।

কুকিং অয়েল কি

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে যেটা সম্পর্কে যে ভূমিকা জানলাম সেটাই হচ্ছে মূলত কুকিং অয়েল।শুধুমাত্র রান্নার সময় ব্যবহৃত তেলকেই কুকিং অয়েল বলা হয়।এই কুকিং অয়েল যদি স্বাস্থ্যকর হয় তাহলে এতে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমায় না এবং উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের কোন সমস্যা তৈরি করে না।তাই বোঝা যাচ্ছে যে এই কুকিং ওয়েলের উপরও আমাদের সুস্বাস্থ্য হওয়াটা নির্ভর করতেছে এবং কুকিং অয়েল ভালো না হলে দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ফ্রাইপ্যানের-তেল-ধোঁয়ার-সমস্যায়-কোন-ব্র্যান্ড-কাজে-দিবে

এই কুকিং অয়েল খাবার তৈরি সময় বিভিন্ন পর্যায়ে অতিক্রম করে যেমন কখনো হালকা তাপে,কখনো উচ্চ তাপে,কখনো তো এমন অবস্থা হয় যে তেল পুড়ে কালো হয়ে যায়।এই পুড়ে যাওয়া কালো তেল আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।ভাজাভুজি সময় তেলকে অনেকক্ষণ ধরে উত্তপ্ত করা হয় এবং ভাজার পরে তেল কালো হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে এটি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়।এইসব কালো তেলের জন্য শরীরে ক্যান্সারের মতন মরণব্যাধি সৃষ্টি হতে পারে।

কুকিং অয়েল হিসেবে কোন তেলটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

রান্নার তেল এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যাতে সেই তেল শরীরে প্রবেশ করার পর কোন খারাপ কোলেস্টেরল তৈরি করতে না পারে এবং তাতে উপকারী ফ্যাট থাকে।বাংলাদেশে নিম্ন আয়ের মানুষেরা নিম্ন মূল্যে তেল কেনার জন্য খোলা বাজারে তেল ব্যবহার করে।এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপে।খোলা বাজারের তেলে অনেক বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয় তেলের রং ঠিক রাখার জন্য।যেসব কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তার শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

এমন তেল নির্বাচন করতে হবে যা হবে পলি আনস্যাচুরেটেড এবং হার্টের জন্য উপকারী হবে।এক্ষেত্রে রাইস ব্র্যান তেলকে বেশ ভালো তেল হিসেবে নির্বাচন করা যেতে পারে। কারণ এই তেল শস্য দানা থেকে উৎপাদন হয় যাতে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে এবং কোন ক্ষতিকারক ফ্যাট থাকে না।ইন্টার রান্নার তেল কিনতে যদি বেশি খরচ হয়ে যায় তাও সুস্বাস্থ্যের জন্য সেই খরচের দিকে না তাকানোই ভালো।এই ছোট ছোট পদক্ষেপ গুলো নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোন দীর্ঘ মেয়াদে অসুস্থতার মধ্যে পড়তে হবে না।

কিভাবে ফ্রাই প্যানের ভিতরে তেল চিটচিটে ভাব দূর করবেন

এই তেল চিটচিটে সমস্যা প্রতিনিয়ত সবাইকে সমাধান করতে হয় কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ রান্নার জন্য সয়াবিন এবং সরিষার তেল ব্যবহার করে।তাই রান্না করার পর দেখা যায় যে চুলার আশেপাশে,চুলার নিকটবর্তী দেয়াল এবং সেই সাথে সাথে মসলার কৌটা তেলের বোতল এবং অন্যান্য সরঞ্জামেও তেল চিটচিটে ভাব দেখা যায়।তাই ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে পাশাপাশি ফ্রাই প্যানের এই তেল চিটচিটে ভাত কিভাবে দূর করবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করব।

আরও পড়ুনঃশিশুদের জন্য প্রোগ্রামিং শেখার গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

প্রথমে ফ্রাই প্যানে বেশ কিছুটা পরিমাণ পানি নিতে হবে।এরপর তাতে একটু লবণ আর ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে পাঁচ থেকে সাত মিনিট পর্যন্ত ফোটাতে হবে। ফোটানোর পরে সেই পানি ওই ফ্রাই প্যানে রাখতে হবে কিছুক্ষণ, একদমই ফেলে দেওয়া যাবে না।

তারপর কিছুক্ষণ পর সেই মিশ্রণটি ফেলে দিয়ে ভালো একটি মাজুনি দিয়ে ফ্রাইপ্যানটা ভালোভাবে ঘষতে হবে।এরপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার পরে দেখবেন আপনার ফ্রাইপ্যান বেশ পরিস্কার এবং তেল চিটচিটে  ভাব দূর হয়ে গেছে।

রান্নাঘরের চুলা এবং মসলার কৌটা গুলোতেও এই তেল চিটচিটে ব্যাপারটা থাকে।এর জন্য একটু ডিটারজেন্ট পানির সাথে মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে চুলা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে একটি স্ক্রাবারের সাহায্যে।মসলার কৌটা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে সেই ডিটারজেন্ট পানি মিশ্রণটা লাগবে।মসলার কৌটাগুলো ১০ থেকে ১৫ মিনিট সেই মিশ্রণের মধ্যে ভিজিয়ে রাখতে হবে।এরপর মিশ্রণ থেকে উঠিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকাতে দিলে দেখবেন চিটচিটে ভাব দূর হয়ে গেছে।

হাত লাগানো ছাড়া ফ্রাই প্যানের তেল পরিষ্কার করার উপায়

আপনারা জেনে অবাক হবেন যে কোনরকম হাত লাগানো ও কষ্ট করা ছাড়াই খুব সহজেই ফ্রাই প্যানের এই তেল পরিষ্কার করে নিতে পারবেন।ফ্রাইপ্যান এর মধ্যে যতই কড়া তেল চিটচিটে থাকুক না কেন এই পদ্ধতিটা মেনে চললে কোনরকম পরিশ্রম ছাড়াই ফ্রাইপ্যান থেকে এই নোংরা উঠে যাবে।

সর্বপ্রথম সেই তেল চিটচিটে ফ্রাইপ্যান এর মধ্যে ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে দিতে হবে।এরপর তাতে যে কোন ব্র্যান্ডের বেকিং সোডা ও ভিনেগার মেশাতে হবে।বেকিং সোডা ও ভিনেগার মেশানো পরিমাণ এক চা চামচ।তারপর সব উপাদান গুলো ভালোভাবে গুলিয়ে নিতে হবে।যে মিশ্রণটি তৈরি হবে সেই মিশ্রণটির সারারাত ভিজিয়ে রাখতে পারলে অনেক উপকারী হবে তবে যদি তারা থাকে তাহলে দেড় থেকে দুই ঘন্টা ওই মিশ্রণটি রেখে পরে ফ্রাইপ্যান পরিষ্কার করা যাবে।

এই মিশ্রনটি ফেলে দেওয়ার আগে দেখতে পাবেন যে কিছু তেল ও ময়লা এই মিশ্রণের সাথে উঠে এসেছে।এরপর সেই মিশ্রণটি সরাসরি বেসিনে না ঢেলে ময়লা গুলো ছেঁকে নিয়ে তারপর ফেলা উচিত। এরপর একটি মাজনি দিয়ে হালকা হাতে শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।এরপর দেখতে পারবেন ম্যাজিক আর সেটা হলো খুব সহজেই ফ্রাইপ্যান থেকে সেই তেল চিটচিটে উঠে গিয়েছে।

রান্নার জন্য সয়াবিন তেল কেমন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রান্নার জন্য সবথেকে বেশি ব্যবহৃত তেল হচ্ছে সয়াবিন তেল।এই তেল পাওয়াটা সহজলভ্য এবং সাশ্রয়।কিন্তু জানেন কি সয়াবিন তেলের স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা অনেক বেশি থাকে।এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট হল খারাপ কোলেস্টেরল যা শরীরে প্রবেশ করে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে খারাপ কোলেস্ট্রল বৃদ্ধি করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ওমেগা-৩ যা খারাপ কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমাতে সহায়ক। 

সয়াবিন তেলে এই ওমেগা-৩ এর পরিমাণ অনেক কম থাকে যার কারণে খারাপ কোলেস্টেরল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট হল অস্বাস্থ্যকর চর্বি যেটা সয়াবিন তেলে বেশি থাকে।তার মানে এই তেল দিয়ে রান্না করা খাবার শরীরে চর্বির পরিমাণ সেই সাথে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই আমি বলব, রান্নার জন্য সয়াবিন তেল কম ব্যবহার করাই উপযোগী এবং ভালো ব্র্যান্ডের বা ভালো মানের তেল ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু ভুলেও খোলা বাজারে তেল ব্যবহার করবেন না।

রান্নার জন্য রাইস ব্র্যান তেল কতটা উপকার

রাইস ব্র্যান তেল হচ্ছে পলি আনসেচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত তেল।এর মানে হচ্ছে এই ফ্যাট যুক্ত তেলে ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকে।এই তেল রান্নার জন্য ব্যবহার করা অনেক উপকারী।আমরা জানি যে খারাপ কোলেস্টেরল শরীরে জমা হতে থাকলে এটি রক্তনালীর পরিধি সংকুচিত করে এবং রক্ত প্রবাহিত বাধাগ্রস্ত হয়।যার কারণে ঘটে যায় হার্ট অ্যাটাকের মত ভয়ংকর রোগ। এই তেলে রয়েছে এইচডিএল যা ভালো কোলেস্টেরল নির্দেশ করে।

ফ্রাইপ্যানের-তেল-ধোঁয়ার-সমস্যায়-কোন-ব্র্যান্ড-কাজে-দিবে

এছাড়াও ক্যান্সারের মতন মৃত্যু ফাঁদ এড়াতে চাইলে প্রতিদিন রান্নার সময় এই রাইস ব্র্যান তেল ব্যবহার করতে হবে।ক্যান্সার এড়িয়ে চলার জন্য তেল ব্যবহার করাটা বেশ উপযোগী।তবে প্রতিদিনের রান্নায়  রাইস ব্র্যান তেল ব্যবহার করতে হবে।

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার কমানোর জন্য কিছু টিপস

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে এটা সম্পর্কে তো অনেক জানলাম,এখন এই তেল ধোঁয়া যাতে না হয় সে সম্পর্কে জানতে হবে।ভালো মানের তেল ব্যবহার করার পাশাপাশি ভালো মানের ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করতে হবে।রান্নার সময় চুলার আঁচ নিম্ন মধ্য পর্যায়ে রাখাটাই ভালো।কোন ডিপ ফ্রাই করার জন্য হালকা বাদামি হলেই উঠিয়ে নিতে হবে। তাহলে আর তেল কালো হয়ে যাবে না। যদিও তেল কালো হয়ে যায় তাহলে সেই তেলের ব্যবহার না করাই ভালো।

ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়া শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর

ফ্রাইপানের তেল ধোয়ার বিষয়টা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কারণ এটি আমাদের হজমের সমস্যা এবং এসিডিটির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।এছাড়াও তেল অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে সেই ধোঁয়া আপনাদের শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুসের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।অতিরিক্ত উত্তপ্ত হওয়া তেল পরবর্তীতে ব্যবহার করলে শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। 

আরও পড়ুনঃ সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে বিস্তারিত জেনে নিন

এছাড়া তেল বেশি উত্তপ্ত হয়ে গেলে সেটার আর কোন পুষ্টি গুনাগুন থাকে না যার জন্য পুষ্টির বদলে শরীরে বিষ হয়ে প্রবেশ করে।ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে সেটার সঠিকভাবে নির্বাচন করাটা ভীষণ প্রয়োজন।

লেখকের মন্তব্য

আমার মতে, খরচ একটু বেশি হলেও নিজের শরীরের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার স্বার্থে রান্নার তেল ভালো কিছু নির্বাচন করা উচিত।ফ্রাইপ্যানের তেল ধোঁয়ার সমস্যায় কোন ব্র্যান্ড কাজে দিবে এটা ভালোভাবে গবেষণা করে নেওয়া উচিত যে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে আসলে কোন তেল ব্যবহার করা যায়।রাইস ব্র্যান তেল,সূর্যমুখী তেল এগুলা শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।তাই এই ধরনের তেল রান্নার জন্য নির্বাচন করা উচিত। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url