কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব বিস্তারিত জানুন
প্রাকৃতিক উপায়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সহজ কিছু উপায় জেনে নিন
কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব এটা সম্পর্কে সবারই জানা প্রয়োজন।ডিম প্রোটিনের একটি বড় উৎস এবং প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় একটি করে ডিম রাখতে হয় কারণ ছোট বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সবারই প্রোটিন সরবরাহ হিসেবে ডিম খাওয়া উচিত।
বিভিন্ন ধরনের পদ রান্না করা হয়।কখনো ডিম পোচ,অমলেট,ডিমের ভুনা,ডিমের কোরমা, ডিমের চপ ইত্যাদি নানাভাবে এটিকে ব্যবহার করা যায়।কিন্তু এই ডিম ভাজতে গেলে অনেক তেল লেগে যায়।কি করলে কম তেলে স্বাস্থ্যকর উপায় ডিম ভাজা হবে।
পেজ সূচিপত্রঃকম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব
- কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব
- ডিম ভাজতে হলে কোন তেল ব্যবহার করা উচিত
- তেল ছাড়া কি ডিম ভাজা সম্ভব
- কেমন কড়াইতে ডিম ভাজা উচিত
- ডিম কি সেদ্ধ নাকি ভাজা খাওয়া উচিত
- উচ্চ ক্যালরির জন্য কোন ধরনের ডিম খাওয়া প্রয়োজন
- ডিম নষ্ট হয়ে গেলে কি করবেন
- ডিম খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি
- কোন রোগীদের জন্য ডিম খাওয়া ক্ষতিকারক
- লেখকের মন্তব্য
কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব
ডিম ভাজি সবারই খুব পছন্দের খাবার বিশেষ করে ব্যাচেলরদের।কারণ যখনই মুখরোচক কোন খাবার থাকে না তখনই ভরসা হয়ে ওঠে এই ডিম ভাজি।বেশ কিছুটা পেঁয়াজ, কাঁচা ঝাল এবং সামান্য লবণের সংমিশ্রণে দ্রবণ তৈরি করে তেলের উপরে দিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কথা হচ্ছে, ডিম ভাজতে গেলে তেলের পরিমাণ অনেকখানি লাগে।তাই এখন কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব।এর জন্য ডিমটিকে অবশ্যই ননস্টিক কুকওয়্যার মানে ফ্রাই প্যানে ভাজতে হবে।
ফ্রাই প্যানে তেলের পরিমাণ একটু কম লাগে।এছাড়াও এই ফ্রাই প্যানে ননস্টিক উপাদানের জন্য তেল দিলে এটা নিচে লেগে যায় না বা তেল চিটচিটে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।এরপর সামান্য একটু তেল দিয়ে একটু পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ভাপিয়ে ভাজতে হবে। ভাপিয়ে রান্না করলে তেলের পরিমাণ অনেক কম লাগে এবং পুড়ে যাওয়া বা তৈলাক্ত হওয়ার তেমন সম্ভাবনা থাকে না।এর জন্য অবশ্যই সঠিক পরিমাণে পানি ব্যবহার করতে হবে। সয়াবিন তেলের পরিবর্তে নারিকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।
এছাড়াও বাজারে অনেক রকম রান্না করার জন্য যন্ত্রপাতি আবিষ্কার হয়েছে।যেমন একটি নাম হল এয়ার ফ্রায়ার। এটি মূলত একটি মেশিন যেখানে বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে কম তেলে যেকোনো জিনিস ভাজা যায়।এই এই যন্ত্রের মূল সুবিধা হচ্ছে সামান্য পরিমাণ তেল দিয়ে কোন খাবার দিয়ে টাইমার সেট করে দিলে নির্দিষ্ট সবার পরে দেখা যাবে যে এটি সুন্দরভাবে ভাজা হয়ে গেছে।এই মেশিনটি কিনে নেওয়ার মাধ্যমে কম তেলে ডিম সহ আরো উন্নত জিনিস ভেজে দেওয়া যাবে।
ডিম ভাজতে হলে কোন তেল ব্যবহার করা উচিত
সাধারণত আমরা ডিম ভাজার জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু এই সয়াবিন তেল আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক ক্ষতিকারক কারণ এটিতে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক বেশি আছে যা হৃদ রোগের ঝুঁকি বাড়াতে সাহায্য করে।তবে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে সরিষার তেল, নারিকেল তেল বা জলপাই তেল ইত্যাদি যেগুলা এক্সট্রা ভার্জিন এবং রান্নার উপযোগী সেই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। তেলের পরিবর্তে ঘি বেশ ভালই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সয়াবিন তেল বাজারে অনেক সহজলভ্য এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী।এর জন্য সাধারণ মানুষদের রান্নার তালিকায় এই তেল বেশি দেখা যায়।তবে সুস্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে গেলে এই তেলের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়াই উত্তম।এই তেলের পরিবর্তে বিভিন্ন শস্যদানের তেল যেমন সূর্যমুখী তেল,রাইস ব্র্যান তেল, জলপাই তেল,বাদামের তেল,নারিকেলের তেল ইত্যাদি এ জাতীয় তেল ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নাই।তবে খেয়াল রাখতে হবে এই তেল যেন খাটি এবং খোলা বাজারে না হয়।এই তেল ব্যবহারে বেশি তৈলাক্ত হয় না।
তেল ছাড়া কি ডিম ভাজা সম্ভব
কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব সেটা তো বুঝলাম কিন্তু আপনারা জানেন কি যে তেল ছাড়াও ডিম ভাজা সম্ভব। হ্যাঁ তেলের পরিবর্তে একটু পানি দিয়েও ডিম ভাজা যায়।যেটাকে বলে ভাপিয়ে রান্না করা।এর জন্য অবশ্যই ননস্টিক প্যানে ডিমটি নিতে হবে। এর জন্য প্রথমে একটি ফ্রাই প্যানে পরিমাণ মতো সামান্য পানি দিতে হবে।
এরপর পানিটা ফুটে উঠলে এর উপর ডিম ছেড়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।এরপর ডিমের সাদা অংশটি যখন কিছুটা জমে যাবে বা মনে হবে যে এখন খাওয়ার উপযোগী হয়েছে ডিমটি,তখন এটি প্যান থেকে নামিয়ে নিতে হবে।এইভাবে ভাপিয়ে রান্না করলে ডিমের গুণগতমান নষ্ট হয়ে যায় না। এছাড়া তেল দিলে ডিমটি যেমন অনেক তৈলাক্ত হয়ে যায়,সে রকম হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নাই। এছাড়াও পানি দিয়ে ভাপিয়ে রান্না করার মধ্যে এটির স্বাদ বহু গুনে বেড়ে যায়।
কেমন কড়াইতে ডিম ভাজা উচিত
ডিম ভাজার জন্য এমন কড়াই বাছাই করতে হবে যেটিতে বেশি তেলের প্রয়োজন হয় না এবং সেটি তেল চিটচিটে হবে না।এর জন্য ননস্টিক কুকওয়্যার সেট সব থেকে ভালো কাজ করে।এর ননস্টিক বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশি তেলের প্রয়োজন হয় না এবং তেল চিটচিটে হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।তবে অবশ্যই রান্না করার সময় চুলার আঁচ মাঝারি ধরনের রাখতে হবে।কারণ বেশি আঁচে থাকলে খাবার পুড়ে যাওয়া বা খাবারের গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আরও পড়ুনঃ ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদের ব্যবহার-কাঁচা হলুদের স্বাস্থ্য উপকারিতা
ননস্টিক কুকওয়্যারের পাশাপাশি কার্বন স্টিল প্যান ব্যবহার করা যেতে পারে।এই প্যানগুলো উচ্চ আঁচে বেশ ভালোভাবে কাজ করতে পারে। এছাড়াও ডিম ভাপিয়ে রান্না করার জন্য এসব করাই উপযুক্ত।তবে এসব কড়াইতে ডিম ভাজা হলেও চুলার আঁচ যেন মাঝারি থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। অন্যান্য পাতিলে ডিম ভাজা যায় তবে এই ধরনের পাতিলে ডিম ভাজা বেশি সহজ।
ডিম কি সেদ্ধ নাকি ভাজা খাওয়া উচিত
সেদ্ধ ডিম বা ভাজা ডিম দুটিতেই বেশ ভালোই পুষ্টি গুনাগুন থাকে।সেদ্ধ ডিম যেহেতু পানিতে সেদ্ধ করা হয় এবং এখানে কোন রকম মসলা বা কোন কিছুর সংযোজন বিয়জনে প্রয়োজন হয় না তাই এর পুষ্টিক ও গুনাগুন মান অক্ষুন্ন থাকে।ডিমের সাদা অংশে রয়েছে এলবুমিন নামে প্রোটিন যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন ইনটেক হিসেবে কাজ করে।সেদ্ধ ডিমে ক্যালরির পরিমাণ একটু কম থাকে।এছাড়াও সেদ্ধ ডিমে ফ্যাট কম থাকে। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য সেদ্ধ ডিম খাওয়াটা অনেক উপযোগী।
অন্যদিকে ভাজা ডিম সাধারণত তেলে ভাজা হয় এবং ডিমের মধ্যে পেঁয়াজ,ধনেপাতা,টমেটো,পনির ইত্যাদি অনেক উপকরণ দেওয়া যায় তাই এর পুষ্টিগুণ বৈচিত্র্যময় হয়।বাচ্চাদের জন্য এই ভাজা ডিম খাওয়াটা অনেক উপযোগী।তবে একটু কম তেল দিয়ে ভাজা উচিত।এছাড়া ভাজা ডিমে অতিরিক্ত ফ্যাট থাকে।তাই যাদের ফ্যাটের পরিমাণ বেশি প্রয়োজন তারা এই ভাজা ডিম খেতে পারে।এছাড়াও এই ডিম মাখন বা ঘি দিয়ে ভাজা যায় যা বাচ্চাদের মস্তিষ্ক গঠনের জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
উচ্চ ক্যালরির জন্য কোন ধরনের ডিম খাওয়া প্রয়োজন
কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব এই বিষয়টির সাথে ক্যালরি ও ফ্যাট যুক্ত আছে। কারণ যারা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে চায় তাদের জন্য ভাজা ডিম কম তেল দিয়ে ভাজতে হবে। কিন্তু যারা একটু দুর্বল তাদের জন্য উচ্চমানের ক্যালোরি এবং ফ্যাটের প্রয়োজন আছে।সে ক্ষেত্রে ডিম ভাজা তাদের জন্য বেশ উপযোগী খাবার।সাধারণত উচ্চমানের ক্যালোরি পাওয়া যায় হাঁসের ডিমে।প্রতি ১০০ গ্রামে ১৮৫ কিলো ক্যালরি এবং অনেক বেশি প্রোটিন ও ফ্যাট থাকে।
যারা শারীরিকভাবে দুর্বল এবং নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে তাদের জন্য হাঁসের ডিম সবথেকে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।নিম্ন রক্তচাপের রোগীদের যাদের মাথা ঘোরা,সব সময় দুর্বল লাগা এই জাতীয় সমস্যা থাকে ডাক্তাররা তাদেরকে হাঁসের ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন।কারণ এদের উচ্চ ক্যালরি শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং রক্তচাপের মাত্রা ঠিক করতে সহায়তা করে।তবে যাদের কোলেস্টেরল এর সমস্যা আছে বা উচ্চ রক্তচাপ এর সমস্যা আছে তাদের জন্য হাঁসের ডিম খুবই বিপদজনক।
ডিম নষ্ট হয়ে গেলে কি করবেন
আমরা অনেক সময় ডিম অনেকদিন ফ্রিজে রেখে দেই,তখন দেখা যায় ডিম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও বাজার থেকে কেনার সময় নষ্ট ডিম চলে আসতে পারে।যখন ডিম থেকে পচা গন্ধ আসবে তখনই বুঝা যাবে যে এই ডিমটা নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও ডিম নষ্ট হয়ে গেলে ডিমের খোসাতে একটি গোলাপী বা সবুজ ও কালো দাগের আভা দেখা যায়।তখন বুঝে নিতে হয় যে এই ডিম খাওয়ার অনুপযোগী এবং সঙ্গে সঙ্গে এটি ফেলে দিতে হবে এবং সেই জায়গাতে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
তবে বাজার থেকে ডিম কেনার সময় বোঝা যায় না যে কোনটি স্বাভাবিক বা কোনটি নষ্ট।এক্ষেত্রে ভাসমান পানি দিয়ে একটি পরীক্ষা করে নিতে পারেন।একটি পাত্রে পানি নিয়ে ডিম গুলো ছেড়ে দিন। যদি ডিমটি তলানিতে থাকে তাহলে বুঝে নিতে হবে যে এই দিনটি খাওয়ার উপযোগী এবং স্বাভাবিক। কিন্তু ডিম যদি ভেসে ওঠে বা খারা হয়ে থাকে তাহলে বুঝে নিতে হবে যে এটি নষ্ট ডিম।তখন এই ডিম ভুলেও খাওয়া যাবে না এবং সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিতে হবে না হয়তো সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
ডিম খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি
ডিম খাবার যে কত উপকারিতা আছে সেটা বলে শেষ করা যাবে না।এই ডিম ওজন কমাতে ও বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও ডিম খেলে দীর্ঘক্ষন ক্ষুধা থাকে না এবং এটি আমাদের শরীরের শক্তি যোগায় বেশি গঠন করে ও বাচ্চাদের মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে।এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন উৎস হিসেবে কাজ করে।যাদের নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে তাদের ডিম খেলে সুস্থ বোধ করে।এছাড়াও ডিমে বিদ্যমান প্রোটিন চুলকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ডিম শরীরের পুষ্টি যোগায় ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুনঃপ্রতিদিন ছোলা বাদাম কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
প্রতি সকালবেলা একটি করে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।বাচ্চাদের জন্য ভাজা ডিম খাওয়ানো অনেক পুষ্টিসমৃদ্ধ ব্যাপার।কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব এটা মেনে ভাজা ডিম করে খাওয়ালে শরীরের কোন খারাপ প্রভাব পড়বে না এবং অতিরিক্ত ফ্যাট জমা হবে না।এছাড়াও সেদ্ধ ডিম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।মূলত শরীরের প্রোটিন ইন্টেক পূরণ করার জন্য ডিম ছাড়া কোন বিকল্প নাই।
কোন রোগীদের জন্য ডিম খাওয়া ক্ষতিকারক
অনেক তো ডিম খাওয়ার উপকারিতা জানলাম এখন একটি বিষয় আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে সেটা হল এই ডিম খাওয়া কাদের জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।যাদের ডিমের অ্যালার্জি আছে এবং উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছে,এছাড়াও বিশেষ ক্যান্সারে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়াটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খেলে ঝুঁকি আর থাকবে না। এছাড়াও কিডনি রোগীদের ডিমের কুসুম খাওয়ার ব্যাপারে সাবধান হতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
ডিম আমাদের সবারই খুব পছন্দের একটি খাবার।কিন্তু কম তেলে ডিম ভাজতে কোন কৌশল ব্যবহার করব এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ডিম ভেজে খেলে এর পুষ্টি গুনাগুন যেমন অক্ষুন্ন থাকবে তেমনি একটি শরীরে কোন খারাপ প্রভাব ফেলতে পারবে না।এর জন্য স্বাস্থ্যকর উপায়ে উল্লেখিত পদ্ধতিতে ডিম ভেজে খাওয়া যেতে পারে। তবে যাদের ডিম খাওয়াতে ঝুঁকি রয়েছে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেনে চলতে হবে।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url