সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে বিস্তারিত জেনে নিন

আখোরট ও মধু একসাথে মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা

এটি বর্তমান দুনিয়ায় খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন। আমাদের প্রত্যেকের কাছেই এই প্রশ্নের সমাধান সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে কারণ মাথাব্যথা, মাথা ভার এগুলো যেন নিত্য দিনের সঙ্গী ও বর্তমান প্রজন্মের একটি সাধারণ সমস্যা।

সকালে-মাথা-ভার-হলে-কোন-খাবারে-হালকা-লাগবে

শরীর সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই জীবনযাত্রায় ভারসাম্য আনতে হবে এবং ক্ষতিকর খাবার বাদ দিয়ে পুষ্টির সমৃদ্ধ খাবার খেলে এ জাতীয় সমস্যা থেকে অনেক দূরে থাকা যায়। চলুন আজকে বিস্তারিতভাবে এটা সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।

পেজ সূচিপত্রঃসকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে

সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে

প্রতিদিন সকাল বেলায় আমাদের নিত্য দিনের কাজ শুরু হয়। যদি সকালবেলাটা অনেক সুন্দর হয় তাহলে সারাদিনটা অনেক ভালো যায় এবং কাজের মধ্যে উৎসাহ আনন্দ পাওয়া যায়। কিন্তু সকালটা যদি খারাপ লাগা যেমন এই মাথা ভার দিয়ে শুরু হয় তাহলে সারাটা দিন অনেক বিরক্ত আর মেজাজ খিটখিটে লাগে। এর জন্য অবশ্যই জানতে হবে যে সকালে কি খেলে এই মাথা ভার হওয়ার সমস্যাটা থাকবে না। আমরা সকালবেলা এক কাপ আদা চা দিয়ে শুরু করতে পারি।

সকাল বেলার মাথা ভার হওয়ার জন্য এই আদা চা হতে পারে উত্তম সমাধান। এছাড়া অনেক সময় গ্যাস্ট্রিকের কারণেও মাথা ভার হয়ে থাকে। এর জন্য চিয়া সিড ভিজিয়ে সেই পানি খেলে উত্তম প্রতিকার পাওয়া যায়। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই কফি খান কারণ এতে মাথা ভার ওর হালকা হয়ে যায়। কিন্তু প্রথমেই সকালে উঠেই এরকম ক্যাফাইন যুক্ত খাবার না খাবাই ভালো। এছাড়াও সকালের নাস্তার তালিকায় বেশি তৈলাক্ত যুক্ত খাবার না খেয়ে হালকা খাবার নিতে হবে। ড্রাই ফ্রুটস, বিভিন্ন ধরনের বাদাম।

এক কলা, আপেল ইত্যাদি ফল জাতীয় খাবার খেলে মাথা ভার অনেক কমে যায়। স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে ওটস খাওয়া যেতে পারে। যদি পানিশূন্যতার সমস্যার কারণে এরকম হয়ে থাকে, তাহলে লেবু শরবত খাওয়া যেতে পারে। হালকা কুসুম গরম পানি, একটু লেবু আর এক চামচ মধু সকালটা ভালোভাবে শুরু করার জন্য উত্তম পানীয় হতে পারে।

এছাড়াও অনেক সময় গ্যাস্ট্রিকের কারণে ও মাথা ভার হয়ে থাকেসকালে মাথা ভার হওয়ার কারণ

সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে এটা জানার আগে মাথা ভার কেন হয় সেই কারণ সম্পর্কে চিহ্নিত করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। সাধারণত মাথা ভার হওয়ার কিছু কারণ থাকে যেমন যদি কোন কারনে অনেক মানসিক চাপ থাকে, কারো যদি রক্তের নিম্ন চাপের সমস্যা থাকে, কারোর যদি পানি কম খাওয়া হয় মানে অত্যাধিক পরিমাণে ডিহাইড্রেশন শুরু হয়, বা ঘুমের সমস্যা হয় তাহলে প্রাথমিকভাবে এগুলাই কারণ মাথা ভার হওয়ার কারন এই সমস্যাগুলো অনেক সাধারণ।

আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন ছোলা বাদাম কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

বর্তমান দুনিয়ায় রাত জেগে সিনেমা দেখা, ফেসবুক ঘাটাঘাটি করা খুব সাধারন একটি বিষয় হয়ে গিয়েছে। যার জন্য দেখা যায় যে রাত তিনটা চারটা পর্যন্ত জেগে থাকাটা কোন ব্যাপারই না। ঠিক এই কারণেই সকালে ঘুম থেকে উঠতে অনেক দেরি হয়ে যায় এবং শরীরের স্বাভাবিক নিয়ম চক্রের বাইরে হওয়ার কারণে শুরু হয়ে যায় মাথা ভার বা মাথাব্যথা। এটা একদম বাজে এবং খুব ভুল একটা নিয়ম যেটা আমাদেরকে অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে।

এছাড়া জাঙ্ক ফুড খাওয়া বাদ দিয়ে অবশ্যই পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। যদি কোন ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে মাথা ভার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে সেই বিষয় নিয়ে পরামর্শ করতে হবে। এবং সবথেকে প্রধান কারণ হচ্ছে মানসিক চাপ যেটা সহজে বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু আমাদেরকে অবশ্যই মানসিক চাপ থেকে বের হওয়ার জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে এবং অবশ্যই তা থেকে দূরে থাকতেই হবে।

মাথা ভার এর জন্য লেবুর উপকারিতা

সকালের এই মাথা ভার কমানোর জন্য আদা চায়ের ব্যাপারে আমি বলেছি কিন্তু লেবুর শরবত অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি মানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আর এগুলি মাথার ভার কমানোর জন্য প্রভাব ফেলে। 

সকালে-মাথা-ভার-হলে-কোন-খাবারে-হালকা-লাগবে

আমাদের মধ্যে যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা হালকা একটু গরম পানিতে সামান্য একটু লেবুর রস মিশিয়ে যদি পান করা যায় তাহলে সেটা পেটের ভেতরে গ্যাস কে কমিয়ে দিয়ে হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে এবং সেই সাথেও মাথার ভার কমানোতে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া শরীর দুর্বল হলে লেবু চিনি পানি খাওয়া হয় যেটা শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে যার প্রভাব মাথা ভার ঠিক করার উপরেও পড়ে।

এছাড়াও লেবুর খোসা গুড়া করে কপালে লাগালে মাথা ভারের প্রদাহ শান্ত হয় এবং প্রাকৃতিকভাবে মাথা ভার কমাতে সাহায্য করে। এটি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকে ব্যবহার করেও উপকার পাবেন এবং একটি ঠান্ডা অনুভূতি পাবেন।

মাথার ভার দূরীকরণে চা কফির প্রভাব

সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা ভার হলে চা খাওয়া যেতে পারে কিন্তু সেটা অবশ্যই আদা যা বা আদা পুদিনা পাতার চা হতে পারে ।কিন্তু দুধ যা হলে সমস্যা আছে কারণ চায়ের এই মিশ্রণটি গ্যাসের সমস্যা বাড়িয়ে দিয়ে মাথা ভার হওয়ার চাপ আরো বাড়িয়ে দিবে। আমাদের সবারই সকালে উঠে চা কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে কারণ এর মাধ্যমে আমাদের মাথা ভার দূর হয় বলে আমরা মনে করি কিন্তু আসলে এতে অতিরিক্ত পান করলে শরীরের ভেতরে ক্ষতি বাড়িয়ে দেয়।

চা কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন যার কারণে শরীরের রক্তনালি সংকুচিত হয়। মাথাব্যথার কারণে রক্তনালী যখন অনেক প্রসারিত হয়ে যায় তখনই ক্যাফেইন এই রক্তনালীকে সংকুচিত করার মাধ্যমে মাথা ভার কমাতে সাহায্য করে। অনেক মানুষ আছে যারা যা কপির এতটাই ভক্ত যে সকালে চা না খেলে তাদের দিনে শুরু হয় না। তাই সকালে উঠেই আদা চা খাওয়া ভালো তবে দুধ চা বা কফি খাওয়া যেতে পারে কিন্তু সেটা যেন অতিরিক্ত মাত্রায় চলে না যায়।

মাথা ভার এর জন্য কি মানসিক চাপ দায়ী

সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে এটা জানার পাশাপাশি আমাদেরকে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ যতই পুষ্টির সমৃদ্ধ বা এর জন্য টোটকা ব্যবহার করি না কেন যদি মানসিকভাবে সুস্থ না থাকে তাহলে এগুলো কোনই প্রভাব ফেলতে পারবে না। কারণ আমরা যখন কোন বিষয় নিয়ে চাপে বা টেনশন এ থাকি তখন খুব স্বাভাবিক যে এটা আমাদের মস্তিষ্কের উপরও চাপ পড়ে এবং অতিরিক্ত মাত্রায় চলে গেলে তখন মাথাব্যথা সহ মাথা ভার লাগে।

আর বলা হয় যে মন ভালো থাকে শরীর ভালো থাকে। যদি মানসিকভাবে আমরা সুস্থ থাকতে পারি এবং মনটা যদি প্রফুল্ল থাকে তাহলে তার শরীরের উপর চাপ অনেক কম ফেলায়। এছাড়াও মানসিক চাপের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম হয় না যার কারণে মাথার উপর চাপ পড়ে অনেক বেশি। কারণ ঘুমানো মানে তো নিজের শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে বিশ্রাম দেওয়া। আমাদের মস্তিষ্কের ও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে তাই মানসিক চাপ কমিয়ে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ভালোভাবে ঘুমানো উচিত।

ঘন ঘন মাথা ভার হলে কি করবেন

সকালে উঠে মাথা ভার আর ঘন ঘন মাথা ভার হওয়া কিন্তু এক জিনিস না। হয় তাহলে যে তার কারণ গুলো আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। সবার প্রথম যে দিকটা আসে সেটা হলো পানিশূন্যতা। প্রতিদিন 2 লিটার পানি খাওয়া উচিত। কারণ শরীর যদি হাইড্রেড না থাকে তাহলে কোন কিছু ভারসাম ও তার মধ্যে থাকে না এবং কিডনিও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না যার ফলস্বরূপ শুরু হয় ঘন ঘন মাথাব্যথা।

এছাড়াও রয়েছে হরমোনাল পরিবর্তন। পিরিয়ডের কারণে বা খুব বেশি টেনশন করলে হরমোনের পরিবর্তন হয়। তখন ঘন ঘন মাথা ভার হয়ে যায়। এছাড়া যদি জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া হয় তাহলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই জাতীয় সমস্যা হতে পারে।

 এছাড়া নিয়মিত সেবনের কোন ওষুধের যদি বেশি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়ে যায় তখন ফলস্বরূপ ঘন ঘন মাথা ব্যথা করতে পারে। এছাড়াও মাথায় ব্যথা পাওয়া, দীর্ঘ সময় কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকানো, অপর্যাপ্ত ঘুম, বা শরীরের ভেতর কোন বড় সমস্যা থাকলে এই ঘন ঘন মাথা ভারে সমস্যাটা হতে থাকে।

মাথা ভার কমানোর জন্য মাসাজের প্রভাব

সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে এটা জানার পাশাপাশি মাসাজের পদ্ধতির সম্পর্কে জেনে নিলেও কিছুটা সময় মাথা ভার থেকে রেহাই পাওয়া যায়। কপালে দুই হাত দিয়ে আলতো ভাবে এপাশ-ওপাশ করে টিপে দিলে তখন মাথা ভার থেকে অনেক আরাম পাওয়া যায়। এছাড়া এটি মাধ্যমে পেশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। স্নায়ু তে রক্ত প্রবাহ সচল থাকে। এর মাধ্যমে মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিছুটা কম থাকে এ অনেকটা প্রশান্তি অনুভব করা যায়।

মাথা ভার কমানোর জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করুন

মাথা ভার কমানোর জন্য পানি ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই সহজে এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। যেমন লবঙ্গ ব্যবহার করা যেতে পারে। এর জন্য লবঙ্গটাকে ভালোভাবে ছেঁকে নিয়ে একটি কাপড়ে রেখে সেটার ঘ্রাণ দিলে মাথাভাড় থেকে দূরে থাকা যায়। এছাড়া বেশি মাথা ভার হলে আদা চিবানো মাধ্যমে কিছুটা প্রশান্তি পাওয়া যায়।

সকালে-মাথা-ভার-হলে-কোন-খাবারে-হালকা-লাগবে

এছাড়া মাথা ভার হওয়ার পরিমাণটা যদি অনেক বেশি হয় তাহলে একটি আপেলের সাথে কিছু টি লবণ মাখিয়ে সেই আপেলটি চিবালে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এই ঘরোয়া পদ্ধতি গুলো ব্যবহারের মাধ্যমে কোনরকম খরচ ছাড়াই খুব সহজে মাথায় ভার কমানো যেতে পারে। এছাড়া মাথাভার থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য হালকা কুসুম গরম পানি খেলে একটু উপকার পাওয়া যায়। তবে সবার আগে প্রথম শর্ত হলো নিজের মনকে প্রফুল্ল রাখতে হবে এবং প্রফুল্ল রাখার জন্য যা ভালো লাগে তাই করা উচিত।

পূর্ব প্রস্তুতি মূলক সতর্কবার্তা মাথা ভার কমানোর জন্য

সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে এটা জানার পূর্বে অবশ্যই আমাদেরকে এমন পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে এই মাথা ভার না হয়। এর জন্য অবশ্যই নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত এবং প্রফুল্ল রাখতে হবে। কারণ মন প্রফুল্ল থাকলে শরীরের উপর কোন খারাপ চাপ আসতে পারে না।

এর পরে হচ্ছে আমাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত ফেসবুক স্ক্রল করলে এটা নিজের শরীরের উপর চাপ পড়ে যার কারণে এই মাথা ভার হয় তাই খুব ভালো হয় যদি রাত বারোটার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া যায় তাহলে পর্যাপ্ত সাত থেকে আট ঘন্টার একটা ঘুম সম্পূর্ণ হবে এবং শরীরও মুখ দুটাই ফ্রেশ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ চোখের জন্য মিষ্টি কুমড়া খাওয়ার উপকারিতা  সম্পর্কে জানুন

অবশ্যই আমাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে এবং দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করা উচিত। কারণ শরীর হাইড্রেট থাকলে মাথার উপর চাপ অনেকটা কম পড়ে যায় এবং শরীরের ভেতর তার সব সিস্টেম সুন্দর মতন সচল থাকে।

আমাদেরকে অবশ্যই পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফল, শাকসবজি, প্রোটিন, উদ্ভিজ্জ জাতীয় খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় নির্দিষ্ট পরিমাণে রাখতে হবে। শরীরের যেন কোন প্রয়োজনীয় উপাদানের অভাব না হয়। এবং সম্ভব হলে চা ও কফির পরিমাণটা একটু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে কারণ অতিরিক্ত মাত্রায় চলে গেলে এই ক্যাফেইন শরীরে খারাপ প্রভাব ফেলে।

লেখকের মন্তব্য

আমি মনে করি,সকালে মাথা ভার হলে কোন খাবারে হালকা লাগবে এটা জানার আগে মাথা ভার কেন হয় এবং এটা যেন না হয় তার জন্য আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়াটা বেশি প্রয়োজন। কারণ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধে উত্তম। তাই অবশ্যই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে শরীরের উপর যেন কোন চাপ না পরে তাহলে আর মাথাও ভালো লাগবে না এবং সুস্থভাবে জীবন যাপন করা যাবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url