কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড দেখে নিন

 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড একটি অত্যন্ত জরুরি এবং ব্যবহারিক বিষয়।কারণ পেনড্রাইভ বা ইউএসবি ড্রাইভের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানো বাংলাদেশে খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।এই সমস্যার সমাধান অনেকেই খুঁজছেন।

কম্পিউটারে-পেনড্রাইভ-ভাইরাস-রিমুভ-করার-স্ক্রিনশট-গাইড

আজকে এই আর্টিকেলে আমরা আপনাকে ধাপে ধাপে এই সমস্যার প্রত্যেকটির সমাধান ছবিসহকারে দেখাবো।কিভাবে আপনি শুধুমাত্র আপনার পেনড্রাইভই নয়,বরং আপনার কম্পিউটারকেও এসব ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার থেকে মুক্ত রাখবেন।

পেজ সূচিপত্রঃ কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড সম্পর্কে এখনো অনেকেই জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।পেনড্রাইভে ভাইরাসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো অদেখা শর্টকাট ফাইল দেখা যাওয়া স্টোরেস স্পেস ভুল দেখানো।অথবা আপনার অরিজিনাল ফাইলগুলো লুকিয়ে যাওয়া। এসব ভাইরাস প্রায়ই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভে এবং পেনড্রাইভ থেকে কম্পিউটারে ছড়ায়।যার মূল মাধ্যম হলো অটো রান ফিচার।প্রথম কাজ হল আপনার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি আপডেট করে সম্পূর্ণ সিস্টেম স্ক্যান।কিন্তু শুধু এতটুকুতেই কাজ শেষ হবেনা। 

কারণ অনেক সময় অ্যান্টিভাইরাস ও লুকিয়ে থাকা ম্যালয়ের সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়।ভাইরাস ছড়ানোর কার্যকরী পদ্ধতি হল কমান্ড ক্রন্ট ব্যবহার করা।উইন্ডোজ প্লাস আর চেপে কমান্ড লিখে রান করুন এবং এন্টার দিন। কমান্ড ফ্রন্টে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার টাইপ করুন এবং ইন্টার চাপুন। তারপর attrib-h-r-s/s/d এই কমেন্টসটি লিখে ইন্টার দিন।এই কমেন্টস টি পেনড্রাইভের সমস্ত লুকানো ও সিস্টেম ফাইলকে দৃশ্যমান করবে এবং ভাইরাস দ্বারা তৈরি করা শর্টকাট গুলোর আসল রূপ।এগুলো আপনি পড়ে নিরাপদে ডিলিট করতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ হিটাচি ফ্রিজের দাম ২০২৬

আরেকটি শক্তিশালী উপায় হল ডিস্ক ফরমেট।সর্বশেষ অপশন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে ফরমেট করার আগে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গুলো অন্য একটি ভাইরাসমুক্ত কম্পিউটার ব্যবহার করে বা লিনাক্স লাইভ ইউএসবি বুট করে ব্যাকআপ করুন।উইন্ডোজের ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট টুল বা ফরমেট এর মত কমান্ড ব্যবহার করে সম্পূর্ণ ফরমেট করুন।কারণ শুধু কুইক ফরমেটে ভাইরাসের অংশবিশেষ থেকে যেতে পারে। 

ভাইরাস আক্রান্ত পেনড্রাইভ চিহ্নিতকরণ 

কম্পিউটারের পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করা শুরু করার আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার পেনড্রাইভটি আসলেই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কিনা।কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন।প্রথম এবং প্রধান লক্ষণ হল পেনড্রাইভে ঢুকলে সব ফাইল বা ফোল্ডার শটকাট আইকনে পরিণত হওয়া।অর্থাৎ আপনার মূল ফাইলগুলো লুকিয়ে যায় এবং সেখানে শুধুমাত্র. lnk এক্সটেনশন যুক্ত শর্টকাট ফাইল দেখা যায়। 

যেগুলোর সাইজ খুবই কম হয়। সাথে সাথে অটো রান ফ্রন্ট আসা।যদিও উইন্ডোজের নতুন ভার্সনে অটোরান্ড ডিফল্টভাবে বন্ধ থাকে। তবুও যদি এমন কোন পপ আপ আসে।যা আপনাকে কোন প্রোগ্রাম রান করতে বলে।তাহলে সেই সম্পর্কে আপনি সতর্ক হোন।আরেকটি অপ্রতিশিত ফাইল দেখতে পাওয়া। আপনার পেনড্রাইভে আপনি হয়তো শুধু কিছু ডকুমেন্ট ছবি বা গান রেখেছিলেন। 

কিন্তু সেখানে autorun.info, desktop.ini,recycle.bin এর মত সন্দেহজনক ফাইল দেখতে পাবেন।ফ্রি স্পেস অস্বাভাবিকভাবে কম দেখানো। আপনার পেনড্রাইভের ক্যাপাসিটি ১৬ জিবি আপনি মাত্র ৪ জিবি ব্যবহার করেছেন।কিন্তু তা দেখাচ্ছে প্রায় পূর্ণ।এটি ভাইরাসের কারণে হতে পারে। যা লুকানো ফাইল হিসেবে জায়গা দখল করে আছে।

উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দিয়ে স্ক্যান 

কম্পিউটারের পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার দ্বিতীয় ধাপে আমরা ব্যবহার করব উইন্ডোজের নিজস্ব অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, উইন্ডোজ ডিফেন্স।এটি উইন্ডোজ ১০ ও ১১এ ডিফল্টভাবে থাকে এবং বেশ কার্যকর।প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে লাগান।তারপর ফাইল এক্সপ্লোরার ( windows +E) খুলুন এবং this pc তে ক্লিক করুন।সেখানে আপনার পেনড্রাইভটি দেখতে পাবেন। আইকনের উপর রাইট ক্লিক করুন। 

একটি মেনু খুলে আসবে।সেখানে স্ক্যান উইথ উইন্ডোজ ডিফেন্ডার বা উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দিয়ে স্ক্যান করুন দেখতে পাবেন।এটি নির্বাচন করুন।আরেকটি ধাপে উইন্ডোজ সিকিউরিটি খুলে যাবে এবং আপনার পেনড্রাইভ কে লক্ষ্য করে একটি কুইক স্ক্যান শুরু করবে।এই প্রক্রিয়াটি কয়েক মিনিট সময় নিতে পারে। 

পেনড্রাইভের সাইজের উপর নির্ভর করে। স্ক্রিনশটে আপনি দেখতে পাবেন একটি প্রগ্রেস বার এবং স্ক্যানিং রিমুভাল ড্রাইভ ডি বা অনুরূপ একটি মেসেজ।যদি আপনি সেখানে গিয়ে কোন থ্রেট পান। তাহলে সেটি একটি লিস্ট আকারে দেখাবে।যেখানে প্রতিটি স্টেটের নাম এবং সিভিয়ারিটি লেভেল উল্লেখ থাকবে। সেখানে রিমুভ অল বাটনে ক্লিক করুন। 

লুকানো ফাইল ও ফোল্ডার দেখা 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করা।তৃতীয় ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।কারণ বেশিরভাগ পেনড্রাইভ ভাইরাস আপনার মূল ফাইল গুলোকে এবং শুধু শর্টকাট দেখায়।আপনার মূল ফাইল গুলো ফিরে পেতে এবং ভাইরাসের অবশিষ্টাংশ সরাতে আপনাকে লুকানো ফাইল ও ফোল্ডার গুলো দেখতে হবে।প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি ফাইল এক্সপ্লোরারে ওপেন করুন।উপরের মেনু বার থেকে ভিউ ট্যাব এ ক্লিক করুন। 

কম্পিউটারে-পেনড্রাইভ-ভাইরাস-রিমুভ-করার-স্ক্রিনশট-গাইড

সেখানে সো সেকশনে হাইডেন আইটেমস বা লুকানো আইটেম নামে একটি চেকবক্স পাবেন।এই বক্সটি চেক করুন।আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ অপশন চালু করতে হবে।ভিউ ট্যাবের একদম ডান পাশে অপশনস বা বিকল্পসমূহ বাটনে ক্লিক করুন এবং সেন্স ফোল্ডার এন্ড সার্চ অপশন নির্বাচন করুন। একটি নতুন উইন্ডো খুলবে সেখানে ভিউ ট্যাবে জান এবং এডভান্স সেটিং লিস্টে নিচে স্কুল করুন এবং হাইট প্রটেক্ট অপারেটিং সিস্টেম ফাইল অপশন আনচেক করুন। 

কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে ভাইরাস নির্ণয় 

কম্পিউটারের পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার চরিত্র ধাপে আমরা একটি শক্তিশালী এবং নিশ্চিত পদ্ধতি ব্যবহার করব।কমেন্ট প্রম্পট এই পদ্ধতিটি বিশেষভাবে কার্যকর যখন ভাইরাসগুলো নিজেদেরকে এমন ভাবে সুরক্ষিত করে যে সাধারণ ডিলিট কাজ করে না।প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন কিন্তু এন্টার চাপবেন।তার পরিবর্তে কমান্ড প্রমপট ফলাফলটির উপর রাইট বাটনে ক্লিক করুন এবং রান এস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নির্বাচন করুন।এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।কারণ প্রশাসনিক অধিকার ছাড়া কিছু কমান্ড কাজ করবে না। 

দ্বিতীয় ধাপে কমান্ড উইন্ডো খুললে আপনাকে প্রথমে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারের যেতে হবে।ধরুন আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার হল D:। তাহলে কমেন্ট লাইনে টাইপ করুন *D:* এবং এন্টার চাপুন।এখন কিছু কমেন্ট দিয়ে ভাইরাস সংশ্লিষ্ট ফাইল গুলো ডিলিট করব।এই দীর্ঘ কমান্ডটি ইন্টার দিন।এটা কি করবে এটি পেনড্রাইভের সকল ফাইল ও ফোল্ডার থেকে লুকানো ভাইরাস গুলো ডিলিট করবে।

থার্ড পার্টি এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে ডিপ ক্লিনিং 

কম্পিউটারের পেনড্রাইভে ভাইরাস রিমুভ করার জন্য পঞ্চম ধাপে আমরা বিশ্বস্ত থার্ড পার্টি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করব।উইন্ডোজ ডিফেন্ডার অনেক ক্ষেত্রেই যথেষ্ট।তবে কিছু জটিল অয়ার বা রুট কিট এর জন্য আরও শক্তিশালী টুলস প্রয়োজন।প্রথমে আপনাকে একটি ভালো সফটওয়্যার ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে হবে।আমরা উদাহরণ হিসেবে এর বাইট ব্যবহার করব। যা বিশেষ ভাবে মেলওয়ার ও পেনড্রাইভ ভাইরাসের জন্য কার্যকর।

আরো পড়ুনঃ সবচেয়ে ভালো মানের আইপিএস ২০২৬

বাইট এর ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি ভার্সন ডাউনলোড করুন এবং ইন্সটল করুন।এটি চালু করুন প্রথম স্ক্রিনেই আপনি একটি বড় স্ক্যান বাটন দেখতে পাবেন।তার নিচে এডভান্স স্ক্যান অপশন থাকতে পারে। এখানে ক্লিক করুন।তৃতীয় ধাপে কাস্টম স্ক্যান নির্বাচন করুন এবং তারপর কনফিগার স্ক্যান বাটনে ক্লিক করুন।এটি উইন্ডোজ খুলবে স্কানের ক্ষেত্রে নির্ধারণ করতে পারবেন। 

পেনড্রাইভ ফরমেট করার চূড়ান্ত সমাধান 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড এর  সপ্তম ধাপ হলো সবচেয়ে চরম এবং চূড়ান্ত সমাধান।পেনড্রাইভ ফরমেট করা।এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন। যখন উপরের সবকিছু ব্যর্থ হয়। নিশ্চিত হতে চান যে ভাইরাসের একটি অনুরোধ অবশিষ্ট নেই। সতর্কতা ফরমেট করলে পেনড্রাইভের সমস্ত ডেটা চিরতরে মুছে যাবে।তাই ফরমেট করার আগে যদি আপনার কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকে, তাহলে আগে সেগুলো একটি নিরাপদ কম্পিউটারে ব্যাকআপ করার চেষ্টা করুন।আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে লাগান। 

এরপর আপনার ওপেন করুন।আপনার পেনড্রাইভের আইকন এর উপর রাইট ক্লিক করুন এবং ফরমেট নির্বাচন করুন।একটি ফরমেট উইন্ডোজ খুলবে।এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অপশন আছে।এই অপশন গুলো খুব ভালো করে চেক করে এগোতে ক্লিক করুন।ফ্রান্সে চেকবক্স টি আন চেক করুন। কুইক ফরমেট শুধু টেবিল মুছবে। কিন্তু পুরো ড্রাই স্ক্যান করবে না।আনচেক করলে একটি ফুল ফরম্যাট হবে।যা খারাপ সেক্টর চেক করবে এবং ভাইরাসের অবশিষ্ট অংশ নিশ্চিতভাবে মুছে দিবে। 

ইউএসবি ভ্যাকসিনেটর ইউটিলিটি ব্যবহার 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার অষ্টম ধাপে আমরা একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করব।ইউএসবি ভ্যাকসিন নেটওয়ার্ক এই ইউটিলিটি গুলো পেনড্রাইভ কে ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।এগুলো সাধারণত একটি *autorun.inf*  হোল্ডার তৈরি করে।যা শুধুমাত্র রিড অনলি থাকে।যার ফলে কোন ভাইরাস এই গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটি রাইট বা মডিফাই করতে পারে না।একটি জনপ্রিয় ও ফ্রী টুলস হল ইউ এস বি ডিস্ক সিকিউরিটি বা পান্ডা ইউএসবি ভ্যাকসিন। 

আমরা উদাহরণ হিসেবে পান্ডা ইউএসবি ভ্যাকসিন দেখাবো।প্রথমে পান্ডা ইউএসবি ভ্যাকসিন এর ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন।দ্বিতীয় ধাপে সফটওয়্যারটি চালু করুন। ইন্টার ফেস খুবই সরল।প্রধান উইন্ডোতে আপনার সমস্ত সংযুক্ত ইউএসবি ড্রাইভের একটি লিস্ট দেখাবে।তৃতীয় ধাপে আপনার পেনড্রাইভ লিস্ট থেকে সিলেক্ট করুন।তারপর নিচে দুটি বাটন দেখতে পারেন।ভ্যাকসিনেট কম্পিউটার এবং ভ্যাকসিনের ইউএসবি ভ্যাকসিনেট ইউএসবি বাটনে ক্লিক করুন। এটি আপনার নির্বাচিত পেনড্রাইভ কে ভ্যাকসিনেট করবে। 

শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার টুলস ব্যবহার 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট এর নবম ধাপে আমরা শর্টকাট ভাইরাসের জন্য বিশেষভাবে তৈরি কিছু ছোট এবং বহনযোগ্য টুলস এর ব্যবহার দেখব।এই ভাইরাস গুলো এতটাই বিখ্যাত যে তাদের নির্মূলের জন্য অনেক ডেডিকেটেড টুলস তৈরি হয়েছে।যেমন *shortcut virus remover*।এই টুলস গুলো সাধারণত ১ ক্লিকেই সব শর্টকাট ভাইরাস ও লুকানো ফাইল সমস্যা ঠিক করে দেয়। প্রথমে একটি বিশ্বস্ত সাইট থেকে শর্টকাট ভাইরাস রিমুভার টুলস ডাউনলোড করুন। 

আরো পড়ুনঃ জমির খাজনা কিভাবে হিসাব করা হয় জানুন

এটি সাধারণত একটি ছোট এক্সটেনশন ফাইল হবে।যার নাম শর্টকাট ভাইরাস।রিমুভার এক্সটেনশন দ্বিতীয় ধাপে ডাউনলোড করা ফাইলটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে রান করুন।ফাইলটির উপর রাইট ক্লিক করে রান এস এডমিনিস্ট্রেটর নির্বাচন করুন।তৃতীয় ধাপে চালু হলে একটি ফেস দেখাবে সাধারণত একটি বড় স্ক্যান বার রিমুভ ভাইরাস বাটন থাকবে। কিছু টুলস স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার সমস্ত ড্রাইভ স্ক্যান করে।কিছুতে আপনাকে পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করতে হতে পারে। 

শেষ কথাঃ কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড 

কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার স্ক্রিনশট গাইড এর সর্বশেষ ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরোধ ভাইরাস অপসারণ এর চেয়ে এড়িয়ে চলা সহজ।এ ভাবে আমরা এমন কিছু অভ্যাসও টুলস নিয়ে আলোচনা করব।যা আপনার কম্পিউটার ও পেনড্রাইভকে ভবিষ্যতের আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।প্রথমে অজানা উৎসের পেনড্রাইভ ব্যবহারে সতর্ক হোন।ইন্টারনেট ক্যাফে ল্যাব বা পাবলিক কম্পিউটারে আপনার পেনড্রাইভ ব্যবহার করলে সাথে সাথে স্ক্যান করুন।দ্বিতীয়তঃ পেনড্রাইভ ঢুকানোর সময় shift কি ধরে রাখুন। এটি অটোরানকে সাময়িকভাবে ব্লক করবে। 

পেনড্রাইভের আইকন দেখা না পর্যন্ত ধরে রাখুন।ষষ্ঠ তো এটাচমেন্ট বা লিংক ট্রেনিং করা থেকে বিরত থাকুন।অনেক পেনড্রাইভ ভাইরাস ইন্টারনেট থেকেও আসে।সপ্তমত অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও এস ব্যবহার করুন। যদি সম্ভব হয় পাবলিক কম্পিউটারে একটি লিভ লিনাক্স ইউএসবি ব্যবহার করুন। যা ভাইরাসের জন্য কম ঝুকি পূর্ণ।কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ভাইরাস রিমুভ করার মধ্যে আপনি শুধু সমস্যার সমাধান শিখবেন না।বরং সেই সমস্যা যাতে আবার না ঘটে তার উপায়ও জানলেন। সচেতনতাই হলো সর্বোত্তম এন্টিভাইরাস।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url