জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা?খাজনা কিভাবে হিসাব করা হয় জানুন
ফোনে ফুল নেটওয়ার্ক কিন্তু কল ঢুকে না কেন?বিস্তারিত সবকিছু জেনে নিন
জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা নিয়ে আজকে আমরা এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানবো। জমির খাজনা দেওয়া আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।সঠিক সময়ে জমির খাজনা প্রদান না করলে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে পারি।
বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খাজনা দেওয়া হয়।আমরা বাসায় বসে অনলাইন এর মাধ্যমে জমির খাজনা দিতে পারি। খাজনা দেয়ার জন্য বিভিন্ন সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়।চলুন জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা নিয়ে জেনে নেই।
পেইজ সূচিপত্রঃ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা
- জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা
- খাজনা পরিশোধ না করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
- খতিয়ান চেক করার নিয়ম কী?
- বাংলাদেশে জমির রেকর্ড অনলাইনে কিভাবে চেক করব?
- কিভাবে জমির মালিকানা যাচাই করা যায়?
- খাজনা আবেদন করার নিয়ম কী?
- ১ শতাংশ জমির খাজনা কত?
- জমির খাজনা না দিলে কী কী আইনি পরিণতি হতে পারে?
- খাজনা কিভাবে হিসাব করা হয়?
- শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা
জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা নিয়ে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর অন্যতম কারণ হচ্ছে,জমির খাজনা অনলাইনে দিতে হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হয় যা আমাদের জীবনে বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এক্ষেত্রে জমির খাজনা অনলাইনে দিতে হলে অবশ্যই সকল নিয়মকানুন মেনে জমির খাজনা দিতে হবে।
আরো পড়ুনঃ জমির দলিল বের করার নিয়ম
এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জমির খাজনা দেওয়ার ক্ষেত্রে সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করার। বাংলাদেশের মূলত জমির খাজনা এখন অনলাইনে দেওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। চলুন সেই সমস্যাগুলো বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই।
সঠিকভাবে সকল তথ্য প্রধান না করাঃ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে সকল তথ্য প্রধান না করা। সঠিকভাবে সকল তথ্য প্রধান না করার কারণে অনলাইনের মাধ্যমে খাজনা প্রদান করা যায় না।এর ফলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়।
খাজনা দেওয়ার করার ওয়েবসাইটে তথ্য প্রদান করার জন্য সঠিক জায়গা না পাওয়াঃ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে খাজনা দেওয়ার করার ওয়েবসাইটে তথ্য প্রদান করার জন্য সঠিক জায়গা না পাওয়া। আমাদের মাঝে সঠিক দক্ষতা না থাকার কারণে আমরা অনেক সময় ওয়েবসাইট এর মধ্যে সঠিক অপশন খুঁজে পাই না।যার ফলে খাজনা দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়।এক্ষেত্রে খাজনা প্রদান করার ওয়েবসাইট এর মধ্যে কোথায় কোন তথ্য প্রদান করতে হবে তা সঠিক ভাবে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ত্রুটি থাকাঃ মূলত বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো ইন্টারনেটের ত্রুটি দেখা যায় যার কারণে আপনারা চাইলেও অনলাইন থেকে জমির খাজনা প্রদান করতে পারেন না।তাই ইন্টারনেটের সংযোগ নিশ্চিত করার পরবর্তী সময়েই অনলাইনের মাধ্যমে আপনারা চাইলে খাজনা দিতে পারেন।
সরকারি ওয়েবসাইট এর সার্ভার কাজ না করাঃ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সরকারি ওয়েবসাইট এর সার্ভার কাজ না করা। বাংলাদেশের সাধারণত সরকারি ওয়েবসাইট গুলোর সার্ভার অনেক সময় কাজ করে না। এর ফলে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খাজনা দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়।
অনলাইনে খাজনা প্রদানের জন্য দক্ষতা না থাকাঃ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে অনলাইনে খাজনা প্রদানের জন্য দক্ষতা না থাকা।আমাদের মাঝে অনেকে রয়েছে যাদের অনলাইনে খাজনা প্রদানের জন্য দক্ষতা নেই। মূলত এই কারণে আমরা সঠিকভাবে খাজনা দিতে পারি না এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগি।তাই অনলাইনের মাধ্যমে জমির খাজনা দিতে হলে অবশ্যই আমাদের দক্ষতা অর্জন করা এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা আমাদের সকলের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। অনলাইনের মাধ্যমে জমির খাজনা প্রদান করার জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের নিয়ম মেনে করতে হবে। যদি সঠিকভাবে আমরা নিয়ম মানতে না পারি তাহলে অনলাইন এর মাধ্যমে কাজ না আদায় করতে পারবো না।তাই আমাদের সকলের উচিত সঠিকভাবে নিয়ম মেনে জমির খাজনা আদায় করা এবং সরকারের নিয়ম নীতি মেনে চলা।
খাজনা পরিশোধ না করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান খাজনা পরিশোধ না করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।খাজনা পরিশোধ না করলে এক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। আমরা কেউ চাইনা আমাদের ওপর আইনগত কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক তাই সব সময় আমরা চেষ্টা করবো সকল খাজনা সঠিকভাবে পরিশোধ করার জন্য।
এক্ষেত্রে কেউ যদি খাজনা পরিশোধ না করলে আইনগত তার বিপক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এক্ষেত্রে যদি আপনার খাজনা বকেয়া থাকে, তাহলে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করতে পারেন।একে মূলত বলা হয় দখল চাওয়া। তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন খাজনা সঠিক সময়ে প্রদান করতে।
এক্ষেত্রে আদালত এর আদেশ অনুযায়ী আপনার বাড়ি খাজনা না দেওয়ার কারণে অন্যের কাছে দখল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।কিন্তু আপনাকে খাজনা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট সময় প্রদান করা হবে যেন আপনি খাজনাটা দিতে পারেন।এক্ষেত্রে আপনাকে বাড়ি ছাড়ার জন্য খুব বেশি প্রেসার প্রদান করা হবে না। তাই সঠিক সময় খাজনা দেওয়ার চেষ্টা করুন।
খতিয়ান চেক করার নিয়ম কী?
খতিয়ান চেক করার বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি এবং নিয়ম রয়েছে। খতিয়ান চেক করার এই নিয়ম গুলো জানার মাধ্যমে আমরা সঠিক ভাবে খতিয়ান চেক করতে পারব।এক্ষেত্রে খতিয়ান চেক করার নিয়ম হলো e-porcha.com বা land.gov.bd ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে খতিয়ান চেক করুন। এই ওয়েবসাইটে আপনার সকল তথ্য গুলি সঠিকভাবে প্রদান করুন।
আপনি যখন সঠিকভাবে সকল তথ্যগুলি প্রদান করবেন তখন আপনি সহজে খতিয়ানটি পেতে পারেন। এক্ষেত্রে e-porcha বা land.gov.bd এর মতো সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে বিভাগ,জেলা, উপজেলা,মৌজা ও দাগ নম্বর সহ সকল তথ্যগুলি সঠিকভাবে প্রদান করার মাধ্যমে আপনি খতিয়ান চেক করতে পারবেন।
বাংলাদেশে জমির রেকর্ড অনলাইনে কিভাবে চেক করব?
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান বাংলাদেশে জমির রেকর্ড অনলাইনে কিভাবে চেক করব।বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে জমির রেকর্ড চেক করার জন্য আর অফিসে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।এক্ষেত্রে আপনি চাইলে আপনার বাসায় মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে অনলাইনে জমির রেকর্ড অনলাইনে চেক করতে পারেন।
এক্ষেত্রে আপনাকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে eporcha.gov.bd এর ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে বাংলাদেশে জমির রেকর্ড চেক করতে পারেন। তাছাড়াও land.gov.bd এর ওয়েবসাইট এর মাধ্যমেও আপনি চাইলে বাংলাদেশে জমির রেকর্ড অনলাইনে চেক করতে পারেন। এক্ষেত্রে সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করার মাধ্যমে জমির রেকর্ড চেক করতে পারবেন।
কিভাবে জমির মালিকানা যাচাই করা যায়?
বর্তমান সময়ে জমির মালিকানা যাচাই করা এমন একটি বিষয় যা আমাদের মাঝে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রভাবিত করে থাকে।যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।বিভিন্ন ভাবে এক্ষেত্রে জমির মালিকানা যাচাই করা যায়। জমির মালিকানা যাচাই করতে হলে এক্ষেত্রে আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে জমির মালিকানা যাচাই করতে পারবেন।
জমির মালিকানা যাচাই করার ক্ষেত্রে অনলাইনে eporcha.gov.bd অথবা dlrms.land.gov.bd বা land.gov.bd এই তিনটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যেকোনো একটি ওয়েবসাইট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি জমির মালিকানা যাচাই করতে পারবেন।এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন আপনি যে সকল তথ্যগুলি দিচ্ছেন সেই সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে পারছেন কিনা।আপনি যদি সঠিকভাবে সকল তথ্য প্রদান করতে পারেন তাহলে সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে এই সকল ওয়েবসাইটে জমির মালিকানা যাচাই করতে পারবেন।
খাজনা আবেদন করার নিয়ম কী?
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান খাজনা আবেদন করার নিয়ম কী।খাজনা আবেদন করার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যে নিয়মগুলি মানার মাধ্যমে আপনি সঠিক ভাবে খাজনা আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে খাজনা আবেদন করার নিয়ম মূলত অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর অর্থাৎ খাজনা পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
খাজনা আবেদন করার জন্য ldtax.gov.bd বা land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে শুরুতে আপনাকে সেখানে নিবন্ধন বা Register করতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় সকল ধরনের তথ্য যেমন NID এর নাম্বার, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, খতিয়ান ও হোল্ডিং নম্বর ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন। এর মাধ্যমে আপনি খাজনা আবেদন করতে পারবেন।
১ শতাংশ জমির খাজনা কত?
১ শতাংশ জমির খাজনা কত তা বিভিন্ন বিষয় এর ওপর নির্ভর করে থাকে। এক্ষেত্রে জমির ধরণের ওপর ১ শতাংশ জমির খাজনা কত হবে তা নির্ভর করে থাকে। ১ শতাংশ জমির খাজনা নির্ভর করে জমিটি কৃষি নাকি অকৃষি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বোঝানো হয় সে জমিটি কৃষি কাজে ব্যবহার হয় নাকি সে জমির উপর বিল্ডিং আছে তার ওপর নির্ভর করে ১ শতাংশ জমির খাজনা কত হবে।
এক্ষেত্রে সাধারণত, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ। অর্থাৎ যে সকল জমিতে চাষাবাদ করা হয় সেই সকল জমির উপর ২৫ বিঘা পর্যন্ত কোনো রকম খাজনা প্রদান করতে হয় না। এক্ষেত্রে শুধু দাখিলা বাবদ ১০ টাকা লাগে। অন্যদিকে এরপর বেশি জমির জন্য শতকরায় হারে বাড়ে, যেখানে ১০ একরের বেশি জমির জন্য প্রতি শতাংশে ১ টাকা পর্যন্ত খাজনা প্রদান করা হতে পারে। আর অকৃষি জমির জন্য অর্থাৎ যে সকল জমির উপর আবাসিক ও বাণিজ্যিক কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে সকল জমিতে প্রতি শতাংশে ৩০ পয়সা থেকে ১ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।
জমির খাজনা না দিলে কী কী আইনি পরিণতি হতে পারে?
আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান জমির খাজনা না দিলে কী কী আইনি পরিণতি হতে পারে। এক্ষেত্রে জমির খাজনা না দিলে বিভিন্ন ধরনের আইনি পরিণতি হতে পারে। এক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যদি দীর্ঘদিন থেকে খাজনা না দেয় তাহলে তা বাতিলের কারণ হতে পারে। এমনকি অনেক সময় খাজনা না দেওয়ার কারণে সেই জমি সরকারি দখলেও যেতে পারে।
আরো পড়ুনঃ অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড
তাছাড়াও ২০০২ সালের ভূমি সংস্কার আইন অনুযায়ী বলা হয়েছে যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাজনা না দিলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস নোটিশ দিতে পারে এবং বারবার অবহেলা করলে জমি মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তাই আপনারা সবাই সঠিক সময় খাজনা প্রদান করার চেষ্টা করুন।বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে জমির খাস না দেওয়া হয়ে থাকে। তাই আমরা চাইলে বাসায় বসে অনলাইন এর মাধ্যমে জমির খাজনা দিতে পারি।
খাজনা কিভাবে হিসাব করা হয়?
খাজনা হিসাব করার মূলত বিভিন্ন নিয়ম নীতি রয়েছে। যে নীতি গুলো মেনে চলার মাধ্যমে খাজনা হিসাব করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে খাজনা হিসাব করার জন্য সাধারণত সম্পত্তির মূল্য বা নির্মাণ ব্যয়ের শতাংশ হিসাবে গণনা করা হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে খাজনা হিসাব করা হয়ে থাকে।
খাজনা হিসাব করার সূত্র হচ্ছে, স্ট্যান্ডার্ড ভাড়া = (নির্দিষ্ট শতাংশ × সম্পত্তির মূলধন মূল্য) অথবা (নির্মাণ ব্যয় × স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হার) । এই সূত্র মেনে চলার মাধ্যমে আপনি চাইলে সহজেই আপনার খাজনা হিসাব করতে পারবেন। এবং সেই অনুযায়ী সরকারকে আপনার কাঙ্খিত খাজনাটি প্রদান করতে পারবেন।
শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে জমির খাজনা অনলাইনে দিতে হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হয় যা অনেকের জন্যই কষ্টকর হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আপনার জমির যদি কাগজপত্র সঠিকভাবে না থাকে তাহলে আপনি সঠিক ভাবে খাস না দিতে পারবেন না। তাই অনলাইনে খাজনা দেওয়ার জন্য অবশ্যই দোলনের কাগজপত্র সঠিকভাবে রাখা এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এক্ষেত্রে যখন অনলাইনে জমির খাজনা প্রদান করতে যাবেন তখন অবশ্যই সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন এর মাধ্যমে যে কোন সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। তাহলে, আজকে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ জমির খাজনা অনলাইনে দিতে সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিলাম, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন আপনার সুস্থতা কামনা করি। 250729



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url